Posts

Showing posts from June, 2014

মায়ানমারে বিনিয়োগের ঝুঁকি

মায়ানমারের প্রতি সকলের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। আমেরিকার সাথে দেশটি লেনাদেনা শুরু করেছে। মায়ানমারের রাষ্ট্রপতি থেইন সেইন কিছুদিন আগে প্রথম বারের মত হোয়াইট হাউসে সফরে যান। ওবামা প্রশাসন তাকে যথেষ্ট খাতির করেছে। অপরদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন, ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং সহ অনেক রাষ্ট্রপ্রধানগণ গত দুই বছরে ইয়াঙ্গুন সফর করেছেন।  

এখন পৃথিবীর নানা প্রান্তের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের সঠিক ক্ষেত্র খুঁজে চলেছে মায়ানমারে। অনেক দেশের সরকার পুনরায় সেখানে দূতাবাস কার্যক্রম শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বৈদেশিক বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাবেক মন্ত্রীরা মায়ানমার সরকারের advisors হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন দেশটিকে উন্নতির উদ্দেশ্যে। বিদ্যুৎ সরবরাহ, অবকাঠামো নির্মাণ আর শাসনকার্য পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নেতৃত্ব সৃষ্টিও এই উন্নয়ন কার্যের অন্তর্ভুক্ত। সব চলছে দ্রুত গতিতে।

মায়ানমারের প্রতি সকলের আগ্রহ অবশ্য মোটেই বিস্ময়কর কিছু নয়। মায়ানমার এখনও একটি অব্যবহৃত বাজার। Capitalistic নজরে মায়ানমার এখনো virgin। কিন্তু ঝুঁকি রয়ে গেছে যেমন ঝুঁকি থাকে বন্য virgin কে বাগে আনায়…

ইট পাথরের প্রাসাদ গুলো

Image
মানিকগঞ্জ, সাভার ও ধামরাই এলাকার কিছু পুরনো স্থাপনা নিয়ে ছোট একটা পরিবেশনা।

১। মধ্য সিঙ্গাইর এর পুকুর পাড়ার নিয়োগী বাড়ি।
২। সিঙ্গাইর শাহ্‌রাইল এর বড়বাড়ি। কৌশিক সেন নামের হিন্দু ব্যাপারী এই ভবনের মালিক ছিলেন। ফটকে খোদিত আছে ১৩২৬ বঙ্গাব্দ।
৩। গনেশ চন্দ্র নিয়োগীর বাড়ি।স্থানীয় ভাবে নাকানাকি সাহেব নামে পরিচিত ছিলেন।
৪। পাটের বণিক বিশ্বনাথ চৌধুরীর বাড়ি।একটা পাথরে খোদিত আছে ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ।
৫। বাতিলা জমিদার বাড়ির আসেপাশের কিছু স্থাপনা। নির্মাণকালঃ ১৩৩০ বঙ্গাব্দ।
৬। বাতিলা জমিদার বাড়ি। নির্মাণকালঃ ১৩২৪বঙ্গাব্দ।

How strong is Myanmar's military?

Image
Myanmar’s military today is far more equipped than it was in the 1990s. It received some of the most advanced weapon systems, fighter jets, ground attack helicopters, heavy battle tanks, mobile artillery guns fitted with computerized fire control systems, infinite quantities of small weapons, spare parts and ammunition from China and Russia throughout 1990s and 2000s. Some weapons were also acquired from Italian and Ukrainian suppliers in 2011 and 2012. 

Although Myanmar’s defence budget in papers is just over US$2 billion, the actual spending goes beyond US$3 billions in real terms. The military runs several industries and receives profits in hundreds of millions every year from there. Every year it spends around US$400 millions for developing new weapon systems.

Myanmar's army is headed by a Commander in Chief. The highest rank is Senior General, equivalent to Field Marshal position in Western armies. The post is currently being held by Min Aung Hlaing.

In the early 2000’s, Myanma…