Skip to main content

Posts

Featured Post

প্রাথমিক কারন খুব সরল

বঙ্গবন্ধুকে ঘৃণা করার প্রাথমিক কারন খুব সরল - তিনি পাকিস্তানকে দুইভাগ করেছেন। ধর্মের ভিত্তিতে সৃষ্ট একটা দেশকে দুইভাগ করাতে পাকিস্তান প্রেমিকদের কাছে তিনিতো ঘৃণার পাত্রই হবেন। ধারনা করা হয়েছিল ১৯৪৭ সালে সৃষ্ট পাকিস্তান সৌদি আরবের সাথে মিলে ইসলামের ঝান্ডা উড়াবে। কিন্তু ১৯৫২ সালেই স্পষ্ট হয়ে যায় এ ঝান্ডা মুখ থুবড়ে পরতে যাচ্ছে; কালের আবর্তনে পরিস্কার হয়েছে পাকিস্তান ইসলামের ঝান্ডা তো উড়াতে পারেইনি বরং কলঙ্ক রুপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনীতিবিদদের কুটিলতা এবং পাকিস্তানি আর্মির বর্বরতা এসব পাকিস্তান প্রেমিকরা অস্বীকার করতে পারে না তাই তাদের অস্বস্তি হয় এই বিচ্ছেদে, এই বিভক্তিতে। এই পাকিস্তান প্রেমিকদের মাথায় ঢোকে না যে ইসলাম আর পাকিস্তান এক নয়, তাদের মাথায় ঢোকে না যে ইসলাম ও সৌদি আরবও এক নয়; এদের মস্তিস্কে ঢোকানো হয়েছে যে এই তিনের মিলনেই ইসলামী জোস, ঈমানি জোস তাই পাকিস্তানের যে কোন শোচনীয় পরাজয়কে তারা ইসলামের পরাজয় হিসেবে দেখে। ১৯৭১ সালের পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়কেও তারা ইসলামের পরাজয় হিসেবে দেখে আর যেহেতু এইসব পাকিস্তানি প্রেমিকেরা জেনেটিক ভাবেই গোড়া, তারা বঙ্গবন্ধুকে ঘৃণা করে …
Recent posts

সাইডট্র্যাক শাহ সুজা

শাহজাদা শাহ সুজার শেষ পরিণতি ও মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা আছে, এটা প্রথম শুনি দিল্লীতে বসে। ২০১৮ এর ডিসেম্বরে, আব্বার অপারেশনের সময়। গিয়েছিলাম সম্রাট হুমায়ুনের সমাধি দেখতে। এক টুরিস্ট এর সাথে পরিচয়। এসেছেন পর্তুগাল থেকে। তিনিই বললেন সম্রাট শাহজাহানের সব ছেলেমেয়েদের কবর আছে, কিভাবে মৃত্যু হয়েছে তা লিপিবদ্ধ আছে, শুধু শাহ সুজারটি নেই। আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি শুনে বললেন, কোন কোন সূত্র মতে শাহ সুজা জীবনের শেষ কিছুদিন চিটাগাঙের এক গ্রামে কাটিয়েছেন। হয়ে গিয়েছিলেন পীর!

আমি জানতাম সম্রাট শাহজাহান অসুস্থ হয়ে যাবার পর তার ছেলেদের মধ্যে দিল্লীর মসনাদ দখলের যে ধ্বংসাত্মক লড়াই শুরু হয় তাতে বাংলার সুবাদার, শাহজাহানের মেঝ ছেলে শাহ সুজা বিপুল বিক্রমে যোগ দেন এবং ভয়াবহ ভাবে পরাজিত হয়ে আরাকান রাজ্যে পালিয়ে যান। কিন্তু চূড়ান্ত পরিণতির ব্যাপারে জানতাম না কিছুই।

সারা মোগল ইতিহাস ভীষণ কৌতহলদিপ্তক কিন্তু সম্রাট শাহজাহানের পতন ও একমাত্র মোগল সম্রাট হিসেবে নিজের ছেলের কাছে সিংহাসন হারানোর কাহিনী সবকিছুকে ছাপিয়ে যায়। সেখানে শাহ সুজা সাইডট্র্যাক হয়ে যান সহজেই। দফায় দফায় হেরে যাওয়া, পলায়নরত এই শাহজাদাকে নিয়ে ঘাটাঘাট…

শাহজাদা দারা শিকোর মৃত্যু

যেদিন বড়ভাই দারা শিকোকে শিরোচ্ছেদ করে হত্যা করা হয়, সেদিন আওরঙ্গজেব তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে ‘যদি নিয়তি উল্টো হতো, তাহলে ঠিক কী হতো?’ 

দারা উত্তর দিয়েছিলেন নিয়তি উল্টো হলে তিনি আওরঙ্গজেবের শরীরকে চার ভাগ করে দিল্লীর প্রধান চার সিংহ-দরজায় একেকটি ভাগ ঝুলিয়ে রাখতেন।

সম্রাট শাহজাহান যখন সেজছেলে আওরঙ্গজেবের কাছে সাম্রাজ্য হারান এবং অন্য ছেলেদের খুন হতে দেখেন, ইতালির ইতিহাসবিদ নিক্কোলাও মানুচ্চি সেই সময়ে ভারতে ছিলেন। তাঁর 'স্তোরিয়া দো মগর' বইয়ে তিনি এই ঘটনা লিখেছেন।



মার্কিন ইতিহাসবিদ অড্রে ট্রাশকা মুঘল সাম্রাজ্যের উপর গবেষণা করেছেন বিস্তর। তিনি ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের শিক্ষক ছিলেন। আওরঙ্গজেবের বদলে যদি দারা শিকো যদি ৬ষ্ঠ মুঘল সম্রাট হতেন, তাহলে কী হতো প্রশ্নের উত্তরে অড্রে ট্রাশকার তার বই দ্যা ম্যান অ্যান্ড দ্যা মিথে লিখেছেন "বাস্তবতা হলো মুঘল সাম্রাজ্য চালানো কিংবা জয় করার ক্ষমতা দারা শিকোর ছিলো না। আওরঙ্গজেবের মতো রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাঁর ছিলো না।"

আওরঙ্গজেব আসলে - যো জিতা ওয়াহি সিকান্দার। তিনি চতুর ছিলেন, সমরকুশলে বাকীদের চেয়ে পারদর্শী ছিলেন ও বেশ কূটনৈতিক জ্ঞা…

মানবতার, ধর্মনিরপেক্ষতার জয়

...পাকিস্তান সরকারের কাছে ও পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর  কাছে ১৯৭১ সালের যুদ্ধ, অন্য সবকিছু ছাপিয়ে, ছিল ধর্মের যুদ্ধ। তাদের কাছে এটা জিহাদ ছিল। আর এই  দেশে অবস্থানকারী আলবদর  ও রাজাকারদের কাছে এটা ছিল ইসলামকে সেবা করার সুযোগ। জিহাদের জন্য পাকিস্তান সরকার সেই সময় সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে অর্থও  সংগ্রহ করে। পত্রিকায় দেয় বিজ্ঞাপন যেখানে যুদ্ধকে জিহাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রকৃত ইসলাম থেকে যোজন যোজন দূরে থেকে এরা ইসলামকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে।

আর এই দেশের মানুষ যুদ্ধ করেছিল অন্ধকার থেকে মুক্তির জন্য, একটা বৈষম্যহীন সমাজের জন্য, ধর্মনিরপেক্ষতার  জন্য। বলা বাহুল্য মানবতার, ধর্মনিরপেক্ষতার জয় হয়েছিলো প্রবল ভাবে।

পাকিস্তান যে আসলে কিছু আরব দেশের প্রতিনিধিত্ব করছিলো তার প্রমান এই সব আরব দেশ গুলো দিয়েছিলো বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর স্বীকৃতি না দেবার মাধ্যমে। পাকিস্তানের বিভক্তিকে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা দেখেছিল ইসলামের পরাজয় হিসেবে। এই জন্য সৌদি আরব বাংলাদেশকে ‘রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট ১৯৭৫; বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর! এর আগে ‘ধর্ম নিরপেক্ষ’ দেশ বলে বাংলাদেশকে আখ্যায়িত করে এদেশের ধর্ম…

১৪শ শতাব্দীর ব্ল্যাক ডেথ - কাল মৃত্যু

ইউরোপ ১৩৪৭ সাল থেকে ১৩৫১ সাল পর্যন্ত বিধ্বংসী ‘ব্ল্যাক ডেথ’ দেখেছে। কাল মৃত্যু।

মহামারীর অনেক বৈশিষ্ট্যের একটা হলো এটা বাণিজ্য পথ ধরে আগাতে সাচ্ছন্দবোধ করে। বাণিজ্য পথ ধরেই ১৪শ শতাব্দীতে ব্ল্যাক ডেথখ্যাত প্লেগ এশিয়া থেকে ইউরোপে ঢুকে।

এক ধরনের অতি ক্ষুদ্র পোকা বা মাছি প্লেগ রোগ বয়ে বেড়াতো। পোকাগুলো থাকতো ইঁদুরের গায়ে।  ইঁদুর থেকে ইঁদুরে, ইঁদুর থেকে মানুষে জীবাণু স্থানান্তর হতো।

বাণিজ্যিক জাহাজে চেপে এসব ইঁদুর প্লেগ এশিয়া থেকে পৌঁছে গিয়েছিল ইউরোপীয় শহরগুলোয়। ছোঁয়াচে এ রোগ দ্রুত ছড়াতো, রোগীকে মেরেও ফেলত অল্পসময়ে। তিনদিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মৃত্যু হত আক্রান্তদের।

এই মহামারীর প্রভাব  ইউরোপ বয়ে বেড়িয়েছে পরবর্তী ২০০ বছর।



ব্ল্যাক ডেথ সেই সময় ইউরোপের অর্থনৈতিক সার্বিক জীবন কাঠামো বদলে দেয় অনেকটা, বদলে দেয় শিল্প-সাহিত্য, বদলে দেয় স্বাস্থ্যসেবা।

ইন্টারেস্টিংলি, ব্ল্যাক ডেথের শুরু  ১৩৩১ সালে চীনের ইউয়ান সাম্রাজ্যে বলে মনে করেন অনেক গবেষক। সেই সময় সেখানে এক মহামারী হয়েছিল। তিন বছর পর হেবেই প্রদেশের ৫০ লাখ মানুষ প্লেগে মারা যায়। কিছু ইতিহাসবিদ মনে করেন মোঙ্গল শাসনের যবনিকাও ঘটায় এই প্লেগ। তৈ…

ব্রেক্সিটের সরল, জটিল সমীকরণ

গ্রেট ব্রিটেন সবার সাথে একা খেলতে চায়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন দলের হয়ে না।

তাই ব্রেক্সিট হয়ে গেছে। ৪৭ বছরের সম্পর্ক শেষ। ব্রিটেন এখন বিশ্ব সংসারের,শুধু ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের না।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বের হয়েছে কিন্তু ইউরোপ থেকে তো বের হতে পারবে না। থাকবে, ফিরবে কিন্তু দলের হয়ে খেলবে না, একা খেলবে। তারা ফর্মুলা বের করেছে যে একা খেললেই অর্থনীতিক সমৃদ্ধি বেশী হবে, পলিটিকাল মাইলেজ বেশী পাবে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের জন্য এটা একটা ঐতিহাসিক বিপদ সংকেত বটে। দল ছিল ২৮ জনের। মূল খেলোয়ারদের একজন বের হয়ে গেল। ইউনিয়ন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল একতা, একত্রে অগ্রগতি, একত্রে সমস্যা মুকাবেলা। এই একতায় ভাঙ্গন হলো। সামনে যে আর কোন স্টার প্লেয়ার এক্সিট নিয়া মাতং করবে না এর গ্যারান্টি কই!

বর্তমান ব্রিটিশ প্রাইম মিনিস্টার বরিস জনসনের ইলেকশন ম্যানডেটই ছিলো ব্রেক্সিট কায়েম করা আর চাকরীর ক্ষেত্র বাড়ানো। এইটা ইংগিত দেয় যে ওয়ার্কিং ক্লাস ডেস্পারেট হয়ে গিয়েছিল ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাইরে যেতে। বরিস জনসন চালু মানুষ। ব্রেক্সিট সম্পন্ন হবার পরে তিনি ক্যাবিনেট মিটিং ডেকেছিলেন সানদারল্যান্ডে যেটা প্রো-ব্রেক্সিট টাউন হিসাবে পরিচিত।

বরিস জন…

Uppsala - a must visit in Sweden

Legacy of Carl Linnaeus, rich cultural life, century old history, beautiful landscape are the things found in Uppsala. Until the 13th century, the city was known as Östra Aros.



1,500 years ago, power centre of the land of the Swedes was here. It had a place of worship and also was an important centre for trade and Tingshögen gatherings. Tingshögen gatherings were where general assembly met for creating laws and conducting administration of justice.



An impressive cathedral, along with the pink-colored castle, dominates the city skyline.


The town is home to the first university of Scandinavia - Uppsala University, which was founded in 1477. Among the University’s alumni there are 15 Nobel Prize laureates, of which 8 received their prizes for discoveries made during their time at Uppsala University.

IKEA - still a Swedish company

To many people IKEA is one of the most noteworthy Swedish success stories, to some it the largest furniture retailer of the world and to few, it is a company that sells a Scandinavian lifestyle that customers around the world truly embrace. 

From a small town company, IKEA slowly became regional and a global giant. It started by selling pen, watches, wallets and ended up selling each and everything a household requires - furniture, appliance, small motor vehicles, and home accessories. In the process, it created a success story that cannot be replicated. 

Ingvar Kamprad, the founder of IKEA, learnt how to bridge over the difficulties with strong willpower and perseverance from his grandmother. His grandfather committed suicide after failing to pay the mortgage as their family business went on the verge of bankruptcy. That’s when his grandmother had to step in. 

The IKEA founder showed good trading skills from the age of seven when he started selling Christmas decorations, fish and pencil…