Skip to main content

Posts

বিশ্বায়ন নিজ পরিচয়ে

যুগটা বিশ্বায়নের। যুগটা গ্লোবাল ভিলেজের। বাণিজ্যটাই মুল। তবে অন্যের মতো হয়ে যাওয়াটা হতাশার, আতঙ্কের। জাপানের ছেলেটি তো চায় না হতে মার্কিনি। মঙ্গলিয়ান মেয়েটা মানছেনা চীনের আগ্রাসন। আইরিশরা কি কখনো চাইবে ড্যানিশ হতে?  দক্ষিণ কোরিয়ার বাইরেটা পশ্চিমে, ভেতরটা তো প্রাচ্যে। চেক ছেলেটি কি চাইবে রাশিয়ান হতে? তবে কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া বাংলাদেশী, স্মার্ট যুবক বলিউডের নায়ক কে অনুকরণ করবে অন্ধের মতোন? কেন বাংলাদেশী মধ্যবয়সী, শিক্ষিত, মহিলা লাল লিপস্টিক আর চাকাও-মাকাও পোশাক পরে বলিউডের নায়িকার ফটোকপি হতে চাইবে? কেন রেডিও-জকিরা অদ্ভুত উচ্চারণকে আধুনিকতার মাপকাঠি মনে করবে? বিশ্বায়নের যুগে বিশ্বের সব প্রান্তে পৌঁছানো যায় অবলীলায়, তবে পৌঁছতে হবে নিজ পরিচয়ে, নিজের সংস্কৃতি নিয়ে।

School, national anthem and a beautiful morning

"কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো; কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে" আলতো সুর আজ ভোরে ঘুম ভাঙ্গাইল; আমি আঁতকায় উঠলাম। নিজেকে আবিষ্কার করলাম নিল সার্ট আর খাকি পেন্টের ভেতর, শাহীনের আসেম্বলিতে। স্কুল আমার কাছে বিভীষিকা - প্রতি পিরিয়ডে পড়া না পারা, কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকা, নিল ডাউন, বেতের বাড়ি, এবড়ো থেবড়ো হাতের লেখা, কানের নীচে মার, শূন্য পরিক্ষার খাতা, ফেলের পড় ফেল, বাবা মার ক্রদান্নিত আর হতাশ মুখ। তাহলে কি আরেকটা বিভীষিকাময় দিনের শুরু? তারপর বুঝলাম এলাকার স্কুলে আসেম্বলি হচ্ছে; ইদানিং মনে হয় স্পিকার লাগানো হইসে। বুকের ধরভরানি কমলো, শান্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। কফি বানাইলাম, বারান্দায় দাঁড়ায়া রোঁদ পোহাইলাম। ইট ইস আ বিউটিফুল মর্নিং। ... এভাবেই চলছে দিন।

Myanmar: dictatorship out, Aung San Suu Kyi in

Myanmar is finally stepping away from dictatorship  Aung San Suu Kyi’s National League for Democracy is well positioned to win the election. However, the power transfer will not happen before March 2016 when newly-elected MPs would get a chance to vote for a new president. That president will not be Aung San Suu Kyi though. It will be someone else from the party. That is because Myanmar’s constitution bars individuals with foreign connections to take the state head position. Aung San Suu Kyi’s two sons’ have British passports. But this will not restrict her to be in a position to control the fate of Myanmar in the coming years. She will possibly take a position above president. That is of course if the military does not step in as they did before. In 1990, the National League for Democracy won the elections, but the military rulers ignored the result and forced Suu Kyi to spent two decades under house arrest. The change has come!  Myanmar is heading towards democracy. T...

কলকাতা ডায়রী

টয়োটা নেই। ঢাকার রাস্তায় লক্ষ লক্ষ টয়োটা দেখে দেখে হঠাৎ কলকাতায় এসে কোন টয়োটা না দেখে চোখ দুটো ধাক্কা খেলো। কলকাতায় টয়োটা হাতে গুনা যায়। ইন্ডিয়া মেইড গাড়ী ছাড়া জাপানীস হোন্ডা আছে অনেক। আর আছে আমেরিকান অনেক শেভ্রোলেট; এই দেশে মনে হয় শেভ্রোলেটের ফ্যাক্টরি আছে। ভাষা একটা সমস্যা। মনে করেছিলাম বাংলায় চলবে সব। আদতে তা না। হিন্দিই চলে বেশী, সাথে বাংলা ও ইংরেজী। দোকানে, ট্যাক্সিতে, হোটেলে, রেস্টুরেন্টে হিন্দি চলছে। বাংলায় বললে বেশ একটা সময় নিয়ে বুঝিয়ে বলতে হয়। দুর্দান্ত পাবলিক ট্রান্সপোর্ট। শহরের এক কোন থেকে অন্য কোনে চলে যাওয়া যায় বাসে চড়ে। এয়ার কনডিসন বাস আছে, নন-এয়ার কনডিসন বাস আছে। একটু পর পর আসছে, যাচ্ছে। দ্রুত চলাচলের জন্য আছে মেট্রো। ধীর চলাচলের জন্য আছে ট্রাম। আর আছে লক্ষ লক্ষ ট্যাক্সি। হাত বাড়ালেই থামছে। ট্যাক্সি ড্রাইভারদের মধ্যে ভালো মন্দ দুইটাই আছে। আমার অভিজ্ঞতা ফিফটি ফিফটি। আবার খুব ভালোও পেয়েছি দুইবার যারা কিনা এক জায়গায় নামিয়ে দেবার পর আমার জন্য অপেক্ষা করেছে কিন্তু ভাড়া বেশী নেয়নি এবং কিভাবে আরও সাশ্রয় হবে তা বলে দিয়েছে। ট্যাক্সি ড্রাইভার একটাও বাঙ্গালী পাইনি। রিকসাওয়া...

কলকাতা!

অসংখ্য প্রাসাদ, অট্টালিকা, মিনার, মন্দির ও পুরনো স্থাপনার শহর কলকাতা। ইংরেজ শাসনামলের চিহ্ন এশিয়ার যে কয়টি হাতেগুনা শহরে টিকে আছে, কলকাতা তার মধ্যে শীর্ষে। ব্রিটিশ শাসকদের কাছে কলকাতা ছিল উপমহাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং লন্ডনের পর পুরো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর।  তখন শহরের দক্ষিণের অংশে ব্রিটিশরা বাস করতো যাকে বলা হতো হোয়াইট টাউন এবং উত্তর অংশে ভারতীয়েরা বাস করতো যাকে বলা হতো ব্ল্যাক টাউন। বাণিজ্যিক গুরুত্বের কারনে ১৯১১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশরা কলকাতাকে ভারতের রাজধানী করে রেখেছিল। পরে আবার ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ও বামপন্থী গণআন্দোলনগুলিতে কলকাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।  রাজনৈতিক অস্থিরতা,  জঙ্গি ট্রেড-ইউনিয়ন আন্দোলন, উৎপাদনহীনতা ও অর্থনৈতিক অবক্ষয়ের ফলে ১৯৫৪ সালের পর থেকে গৌরব হারাতে থাকে কলকাতা। তবে ২০০২ সাল থেকে কলকাতা আবার সাংস্কৃতিক হৃতগৌরব এবং বাণিজ্যিক সমৃদ্ধি ফিরে পেতে থাকে নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। কলকাতা নামের ইতিহাস বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। 'কলিকাতা' নামটি এসেছে ফার্সিতে গৃহীত দুটি আরবি শব্দের সংযোগে - 'কলি' যার মানে অস্থির, ...

Refugee crisis due to civil war in Syria

The civil war in Syria has been going on for four years and the situation is becoming worse day by day. The war killed over 220,000 people so far, half of whom are civilians. To escape the war and in quest for a better life, Syrian people are fleeing to neighboring Turkey, Lebanon, Jordan and Iraq. Many of them nonetheless finally ended up in more distant countries of North Africa, the Caucasus, the Persian Gulf and Europe. But Turkey is not a country for Syrian people to stay in for an extended term. It is not a place to settle for Syrians because they do not have the right to work there. The situation in Lebanon, Jordan and Iraq are similar. So thousands of refugees those have better access of information and cash are attempting the dangerous trip across the Mediterranean Sea from Turkey to Greece in a bid to secure a safe future. Not all of them make it across alive. And those who do make it to Greece still face steep challenges. The influx of refugees has blown out of propor...

খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের পতন

১২১৫ সালে পারস্যের খাওয়ারিজম সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র ছিল। সম্রাট ছিলেন ইসলাম ধর্মে বলিয়ান আলা আদ-দীন মুহাম্মদ। আজকের ইরাক, ইরান, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান তার সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাজধানী ছিল সমরকন্দ। তখন ছিল ইসলামের তথাকথিত রেনেসাঁ যুগ। খাওয়ারিজম সৈন্যবাহিনীতে প্রায় পাঁচ লাখ সুসজ্জিত অশ্বারোহী সৈন্য ছিল যার প্রতিটি সৈন্য এবং ঘোড়া উচ্চ মানের অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত থাকতো। খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের একটা বড় আয় আসতো সিল্ক রোড থেকে সংগৃহীত ট্যাক্সের মাধ্যমে। চীন ও ইউরোপের একমাত্র গমনপথ ছিল খাওয়ারিজম তাই প্রতিটি বণিক তাদের রাস্তা ব্যবহার করার জন্য ও যাত্রা পথে নিরাপত্তা দেবার  জন্য খাওয়ারিজম সম্রাটকে দক্ষিণা প্রদান করতো। সেই সময় মঙ্গোলিয়া শাসন করতেন চেঙ্গিস খান। চেঙ্গিস খান আলা আদ-দীন মুহাম্মদকে খুশী রাখার জন্য প্রায়ই মূল্যবান উপহার পাঠাতেন। হঠাৎ করে একদিন আলা আদ-দীন মুহাম্মদ একদল মঙ্গোলিয়ান বণিকদের আটক করেন এই সন্দেহে যে তারা গুপ্তচর এবং বহিরাগত পণ্য  ট্যাক্স না দিয়ে ইউরোপে নিয়ে যাচ্ছে। সভাপরিষদ আলা আদ-দীন মুহাম্মদের কাছে এর যথার্থতা জানতে চাইলে ধার্মিক সম্রাট...