হেরেম্ব চন্দ্র চৌধুরী ছিলেন হেমনগরের জমিদার। কথিত আছে তিনি একজন ন্যায় বিচারক, শিক্ষানুরাগী ও সাংস্কৃতিমনা ছিলেন। এই জমিদার বাড়ীর অবস্থান টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগরে যেখানে অষ্টাদশ শতাব্দীর কারুকাজ করা দ্বিতল ভবনটি আজও পুরনো ঐতিহ্য কিছুটা হলেও প্রকাশ করছে। বাড়ির সামনে রয়েছে বিরাট মাঠ। মাঠ পেরিয়ে গেলেই দেখা যায় দ্বিতল বাড়ির ছাদে দুটি পরীর ভাস্কর্য। ১০০ কক্ষবিশিষ্ট এ বাড়িটি প্রায় ৩০ একর জমির ওপর তৈরি। সামনে দরবার ঘর। দুই পাশে সারি-সারি ঘরগুলো নিয়ে গড়ে উঠেছে চতুর্ভুজাকার জমিদার প্রাসাদ। তিন ফুট প্রশস্ত দেয়ালে ঘেরা জমিদার বাড়ির মাঠের সামনে এবং বাড়ির পেছনে রয়েছে বড় দুটি পুকুর। এই উপনিবেশিক স্থাপনাটির সবচেয়ে আকর্যনীয় দিক হলো, এর চিনি টিকরী অলংকরণ। চিনি টিকরী হলো এক ধরণের ডেকোরেশন পদ্ধতি, অনেকটা মোজাইকের মতো। এই পদ্ধতিতে স্থাপত্যের গায়ে চিনামাটির বাসন কোসনের ছোট ভগ্নাংশ ও কাঁচের টুকরা ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়। সামনের দিকের পিলার থেকে শুরু করে, দেয়াল, দরজা জানালার প্যানেল, প্রতিটা জায়গার এই অলংকরণ ছিল। নকশা গুলো মুলত: ফ্লোরাল আর জ্...
This blog contains thoughts of a pro-Bangladeshi national on contemporary issues.