Skip to main content

Posts

আলেকজান্ডারের তিন শিক্ষা

মৃত্যুশয্যায় বিশ্ববিজয়ী আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন, "আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।এতে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে, শুধু আমার চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করবেন। আমার দ্বিতীয় অভিপ্রায়, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে, সেই পথে আমার কোষাগারে সংরক্ষিত সোনা, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর ছড়িয়ে দিতে হবে। আমার শেষ অভিপ্রায়, আমার কফিন বহনের সময় আমার দুই হাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।" তাঁর মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত লোকজন মহাবীর আলেকজান্ডারের এই অদ্ভুত অভিপ্রায়ে বিস্মিত হন। কিন্তু এ ব্যাপারে তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস করার সাহস পাচ্ছিলেন না কেউ। তখন তাঁর একজন প্রিয় সেনাপতি তাঁর হাতটা তুলে ধরে চুম্বন করে বলেন, "হে মহামান্য, অবশ্যই আপনার সব অভিপ্রায় পূর্ণ করা হবে; কিন্তু আপনি কেন এই বিচিত্র অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেন?" দীর্ঘ একটা শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, "আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই। আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে বলেছি এ কারণে যে, যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে চিকিৎসক...

পৃথিবীতে সর্বপ্রথম যে মাটির সৃষ্টি হয় তা আজকের মক্কা নগরী

পৃথিবীর উৎপত্তি হয়েছে তিনশ কোটি বছর আগে । তখন এই গ্রহটি ছিল পানি দিয়ে ভরা , উপরিস্থলে দৃশ্যমান ছিল না কোন মাটি । পুরো পৃথিবীতে মাত্র . ০১ % মাটি ছিল কিন্তু তা ছিল পানির মধ্যে দ্রবীভূত অবস্থায় । পানির মধ্যে ছিল দুটি উপাদান - হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন । এর সাথে পরে যোগ হয় সূর্যের আলো ও তাপ । হাইড্রোজেন , অক্সিজেন আর সূর্য্যের আলোর সমাহারের ফলে ধীরে ধীরে জলজ প্রাণীর সৃষ্টি হয় । জলজ প্রাণীর মৃত্যুর পর তাদের দেহাবশেষ মাটিতে রপন্তর হয় । এভাবেই খুব ধীরে ধীরে মাটির সৃষ্টি হতে থাকে । পৃথিবী সৃষ্টি হবার একলক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার বছর পরে দশ ভাগ মাটির উপস্থিতি ঘটে এবং পানির ভেতর থেকে মাটির একটা অংশ   ভেসে উঠে ।   প্রথম যে অংশ চর হয়ে জেগে উঠে , সে স্থানটাই হচ্ছে বর্তমানের মক্কা নগরী । অন্য ভাবে দেখতে গেলে পৃথিবীতে সর্বপ্রথম যে মাটির সৃষ্টি হয় তা আজকের   মক্কা নগরী আর তার মধ্যস্থল হচ্ছে কাবা শরীফ ।   পৃথিবী নামক এই  গ্রহে অনেক বার মহা প্লাবন হয়েছে...

আমাদের পাড়ার আইসক্রিম বিক্রেতা

Mr. Nurum Islam. আমাদের পাড়ার আইসক্রিম বিক্রেতা। He is selling ice creams for last 33 years; most of which is in our neighborhood. If history of New DOHS is written someday; he must be a part of it. He was a little tough and rough in earli er years, but now a calm person. Much like many fellow Bangladeshis, he is a politically concerned man. He does not have the perfect sales skill but greets customers with a smile. He also gives advices along with ice creams; much of it are political and spiritual. Comments on Facebook post: Ishrak Imroze This brings back a lot of memories, Bhaia and I used to sit in the balcony everyday exactly at 3pm waiting to hear his bell ring. Although we were not allowed to have ice-cream everyday, it was a tradition. I am glad to know he is still there and serving the good people. I wish him good health and hope to buy the classic 'igloo vanilla ice-cream' from him as I used to before. Thanks a lot for sharing this post. ...