ব্রাজীল-আর্জেন্টিনা ফুটবল ম্যাচ বনাম ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ

চিন্তা করে দেখলাম যে ব্রাজীল-আর্জেন্টিনা ফুটবল ম্যাচই ভালো কারন এখানে আমার জাতীয়তাবাদ, আমার চেতনা, আমার সামঞ্জস্যতা, আমার দেশপ্রেম প্রশ্নবীদ্ধ হয়না। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ অনেক দোষগ্রাহী - আসেপাশের মানুষ  চেতনা, দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলে। ব্রাজীল-আর্জেন্টিনা ম্যাচে খেলাটাই মুখ্য এবং প্রকাশ্যে উত্তেজনা, উল্লাস প্রকাশ করা যায়। কিন্তু  Social-political কারনে ‘ভারত-পাকিস্তান’ম্যাচে শুধু খেলা থাকে না। উত্তেজনা, উল্লাস প্রকাশেও ঝক্কি থাকে। যদিও আমি শৈশব থেকেই Holland আর  Spain এর ভক্ত কিন্তু হলুদ-আকাশীনীলের লড়াইয়ে আমি সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে হলুদের পক্ষাবলম্বী।

একদল মহাকাব্যিক দেশ-প্রেমীক পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে নরকের কীট মনে করে। তাদের চেতনা বেশ উজ্জিবিত। পাকিস্তানকে সমর্থন তারা বিলুপ্ত দেশপ্রেম হিসাবে দেখে। আর অতী উৎসাহী কিছু নারী সমর্থক স্টেডিয়ামে যেয়ে পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের প্রতি যৌন আবেদন দেখানোতে ব্যাপারটা একটু অস্বস্তীকর হয়ে পড়েছে। চেতনাবাদী আর এক দল ভারত সরকারের বাংলাদেশ সম্পর্কীত বৈদশেকি নীতি ও ভারতীয় নাকউচা সম্প্রদায়ের মনোভাবের কারনে ভারতীয় ক্রীকেট দলকে সমর্থন যোগ্য নয় certificate দিয়ে দিয়েছেন। ভারতীয় পেয়াজ, রসুন, আদাতে আপত্তী নাই তাদের, ভারতীয় পোশাকে আপত্তী নাই তাদের, ভারতীয় নায়ক-নায়িকারে জন্য যৌন আকর্ষন তদুপরী নিয়মিত হস্তমথৈুনে আপত্তী নাই তাদের, কিন্তু অন্য কেউ ভারতীয় ক্রিকেট দলকে সমর্থন করাতে তাদের বিপুল আপত্তী আছে।

তাই বলছিলাম আমি ঘন ঘন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবল খেলা দেখতে চাই। ব্রাজিলই বেশিভাগ জিতবে তাতো বলার অপেক্ষা রাখে না :-)

Comments

Most read

How strong is Myanmar's military?

Pohela Boishakh – Bangali New Year

বিমান দুর্ঘটনা